রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬

ইয়াবা বেচে কোটিপতি, দুদকের মামলায় যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড

by admin
0 comments

ইয়াবা বিক্রির করে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনে অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাকে দুই কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাজাপ্রাপ্ত আসামির নাম রূপম চৌধুরী (৪১)। তিনি বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী এলাকার বাসিন্দা। তবে পরিবার নিয়ে নগরীর হালিশহর মধ্যম নাথপাড়া এলাকায় বসবাস করতেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালে একটি দৈনিকে ‘ইয়াবা রূপম’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে দুদক অনুসন্ধান শুরু করে। পরে তদন্তে রূপম চৌধুরী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা চৌধুরীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ মেলে। এরপর ২০২১ সালে তাদের পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাচাই-বাছাইয়ে রূপম চৌধুরীর দেওয়া তথ্যে গোপনীয়তার বিষয়টি নিশ্চিত হয় দুদক।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে আরও দুটি মাদক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

banner

মামলার তথ্য অনুযায়ী, রূপম চৌধুরী দুদক দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৩৮ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৯ টাকার স্থাবর এবং ২৬ লাখ ৮৩ হাজার ৩৯১ টাকার অস্থাবর সম্পদসহ মোট ৬৫ লাখ ৬ হাজার ৮৩০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেন। এছাড়া তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১ কোটি ৬১ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০ টাকার সম্পদ অবৈধভাবে অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

দুদকের আইনজীবী মোকাররম হোসেন জানান, মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে এ দণ্ড দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার ভিত্তিতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

রূপম চৌধুরীকে আদালত ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও একইসঙ্গে ২ কোটি ২৬ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬০ টাকা জরিমানা করেন। এর আগে গত ১৩ এপ্রিল অবৈধ সম্পদ অর্জনের আরেক মামলায় রূপম চৌধুরী ও তার স্ত্রী সন্ধ্যা রানী চৌধুরীকে ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

You may also like

Leave a Comment

Are you sure want to unlock this post?
Unlock left : 0
Are you sure want to cancel subscription?
-
00:00
00:00
Update Required Flash plugin
-
00:00
00:00